ফার্মেসি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
ফার্মেসি ব্যবসার জন্য Zara POS একটি ক্লাউড-ভিত্তিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, যেখানে ওষুধ জেনেরিক নাম, স্ট্রেংথ ও ডোজ ফর্ম ধরে সাজানো থাকে এবং প্রতিটি ব্যাচের মেয়াদ আলাদাভাবে ট্র্যাক হয়। কাউন্টার বিলিং থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টক আটকানো, বিকল্প ব্র্যান্ড সাজেশন থেকে প্রতিবেশী দোকানের ধার-খাতা পর্যন্ত — ফার্মেসির প্রতিদিনের কাজ মাথায় রেখেই এই সফটওয়্যার সাজানো।
সর্বশেষ আপডেট:
এই ব্যবসার সমস্যাগুলো
- কাস্টমার ব্র্যান্ড নামে ওষুধ চান, কিন্তু ওই নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড স্টকে না থাকলে বিক্রেতাকে মনে করে বিকল্প বলতে হয় — না পারলে বিক্রিটাই হাতছাড়া হয়ে যায়।
- মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ ভুলে বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি সবসময় থাকে, আর কোন ব্যাচ আগে বিক্রি করা উচিত সেটা মনে রাখাও কঠিন।
- পাতা-পিস হিসাবে বিক্রি করতে গিয়ে স্টকের হিসাব গুলিয়ে যায় — খাতায় বক্স লেখা থাকে, কাউন্টারে পিস বিক্রি হয়, শেষে মিলাতে গিয়ে ঝামেলা।
- Rx বা এন্টিবায়োটিক বিক্রির প্রেসক্রিপশন রেফারেন্স আর ডাক্তারের নাম আলাদা খাতায় টুকে রাখা ঝক্কির কাজ, আবার রসিদে ড্রাগ লাইসেন্স নম্বর না থাকলে নিয়ম মানাও হয় না।
- পাশের ফার্মেসি থেকে হুট করে ওষুধ ধার নেওয়া-দেওয়া প্রতিদিনের বাস্তবতা, কিন্তু মুখে মুখে হিসাব রাখলে ভুলে যাওয়া বা গরমিল হওয়াই স্বাভাবিক।
- বাকিতে ওষুধ দেওয়া কাস্টমারদের থেকে সময়মতো টাকা তোলা কঠিন, আর কাগজের খাতা হারিয়ে গেলে পুরো হিসাবই হাওয়া হয়ে যায়।
Zara POS-এ যেভাবে সমাধান
- জেনেরিক সার্চ ও বিকল্প ব্র্যান্ড — জেনেরিক নাম লিখে সার্চ করলেই মিলে যাওয়া ওষুধ চলে আসে; নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড স্টকে না থাকলে একই জেনেরিকের স্টকে-থাকা বিকল্প ব্র্যান্ড সাজেশন আসে, কম দামেরটা আগে দেখায়। বিলিংয়ের বাকি সুবিধা কাউন্টার POS পেজে।
- ব্যাচ-মেয়াদ FEFO ট্র্যাকিং — প্রতিটি ব্যাচের মেয়াদ আলাদা রেকর্ড হয়; আগে মেয়াদ শেষ হবে এমন ব্যাচ আগে বিক্রি করার (FEFO) ব্যবস্থা আছে, আর মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাচ বিক্রি অটো-ব্লক থাকে। ড্যাশবোর্ডে মেয়াদোত্তীর্ণ/৩০ দিন/৯০ দিন বাকেট, আলাদা মেয়াদ রিপোর্ট আর রাইট-অফ এন্ট্রি — বিস্তারিত স্টক ও ইনভেন্টরি পেজে।
- পাতা/পিস/বক্স বিক্রি — বিক্রির সময় পাতা, পিস বা বক্স যেকোনো হিসাবে বিল করা যায়, স্টক ভেতরে ভেতরে পিসে হিসাব হয় বলে বক্স-পাতা-পিসের গরমিল থাকে না। MRP-এর ওপরে দাম উঠে গেলে বিলিংয়ের সময় সতর্কতাও দেখায়।
- Rx/এন্টিবায়োটিক রেজিস্টার ও ড্রাগ লাইসেন্স — বিক্রির সময় ডাক্তারের নাম আর প্রেসক্রিপশন রেফারেন্স রেজিস্টারে জমা থাকে, রসিদে দোকানের ড্রাগ লাইসেন্স নম্বর প্রিন্ট হয়। কোম্পানি ধরে ফিল্টার আর র্যাক লোকেশনও দেখা যায়, তাই ওষুধ খুঁজতে সময় নষ্ট হয় না।
- প্রতিবেশী দোকানের ধার-খাতা — পাশের ফার্মেসির সাথে ওষুধ ধার-দেনার হিসাব আলাদা খাতায় রাখা যায়, পরে মিটমাটও করা যায়। বাংলাদেশের আর কোনো POS-এ এই সুবিধা নেই, অথচ এটা ফার্মেসির রোজকার বাস্তবতা।
- বাকির খাতা ও SMS তাগাদা — প্রতিটি কাস্টমারের বাকি আলাদাভাবে জমা থাকে, ক্রেডিট লিমিট বসানো যায়, আর SMS-এ তাগাদা পাঠানো যায় একজনকে বা সবাইকে একসাথে। বিস্তারিত বাকির খাতা পেজে।
যেভাবে শুরু করবেন
- ফোনে বা WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন — ফার্মেসির ধরন আর দোকানের চাহিদা জানান।
- Zara-র টিম আপনার ওষুধের ক্যাটালগ, ব্যাচ-মেয়াদ আর ওপেনিং স্টক ঢুকিয়ে সেটআপ করে দেয়, সাথে ব্যবহার শিখিয়েও দেয়।
- সেটআপ শেষে কাউন্টার থেকে বিক্রি শুরু — জেনেরিক সার্চ, FEFO, বাকির খাতা সবকিছু প্রথম দিন থেকেই সচল থাকে।
সাধারণ প্রশ্ন
হ্যাঁ — জেনেরিক নাম লিখে সার্চ করলেই মিলে যাওয়া সব ওষুধ চলে আসে। নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড স্টকে না থাকলে একই জেনেরিকের স্টকে-থাকা বিকল্প ব্র্যান্ড সাজেশন দেখায়, কম দামেরটা আগে।
না — মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাচ বিক্রির সময় সিস্টেম অটো-ব্লক করে দেয়। প্রতিটি ব্যাচের মেয়াদ আলাদা রেকর্ড থাকে বলে আগে মেয়াদ শেষ হবে এমন ব্যাচ আগে বিক্রি করা (FEFO) সহজ হয়, আর ড্যাশবোর্ডে মেয়াদোত্তীর্ণ/৩০ দিন/৯০ দিন বাকেট দেখেই স্টক পরিষ্কার করা যায়।
হ্যাঁ — পাতা, পিস বা বক্স যেকোনো হিসাবে বিল করা যায়, স্টক ভেতরে ভেতরে পিসে হিসাব হয় বলে বক্স-পাতা-পিসের গরমিল হয় না। MRP-এর ওপরে দাম উঠে গেলে সতর্কতাও দেখায়।
হ্যাঁ — প্রতিবেশী দোকানের ধার-খাতায় কোন দোকান থেকে কী নিলাম বা কাকে দিলাম তার হিসাব আলাদাভাবে রাখা যায় এবং পরে মিটমাটও করা যায়। এই সুবিধা বাংলাদেশের আর কোনো POS-এ নেই।
ফার্মেসি ডেমোতে নিজেই ঘুরে দেখুন
সাইন-আপ বা কার্ড ছাড়াই ডেমো দোকান ঘুরে দেখুন। পছন্দ হলে ফোন বা WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন — সেটআপ থেকে শেখানো, সবই আমরা করে দিই।
আরও দেখুন: স্টক ও ইনভেন্টরি · বাকির খাতা · কাউন্টার POS ও বারকোড বিলিং · মূল্য তালিকা