স্টক ও ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট

Zara POS-এর ইনভেন্টরি মডিউল দোকানের প্রতিটি পণ্যের স্টক হিসাব রাখে — প্রতিটি বিক্রি বা কেনায় স্টক নিজে নিজে কমে-বাড়ে, আর প্রতিটি পরিবর্তনের একটা লগ থেকে যায়। ফলে কোনো একটা সময়ে দোকানে ঠিক কী কত আছে, তা এক নজরে দেখা যায় — খাতা মিলিয়ে বা গুনে বের করতে হয় না।

সর্বশেষ আপডেট:

যা যা করা যায়

  • অটো স্টক আপডেট — প্রতিটি বিক্রি বা পারচেজে স্টক নিজে নিজে কমে/বাড়ে; আলাদা করে হিসাব মেলাতে হয় না।
  • স্টক মুভমেন্ট লেজার — প্রতিটি স্টক পরিবর্তন ব্যালেন্স-আফটারসহ লগ হয়ে যায় — কে, কখন, কী পরিবর্তন করল সব ধরা থাকে।
  • লো-স্টক অ্যালার্ট — পণ্য ফুরিয়ে আসলেই অ্যালার্ট দেখায়, তাই না জানিয়ে স্টক-আউট হয়ে বিক্রি হারানোর ঝুঁকি কমে।
  • পারচেজ অর্ডার ও সাপ্লায়ার হিসাব — কার কাছ থেকে কী কেনা হলো, কত বাকি পড়ল, আর পারচেজ রিটার্ন — সব এক জায়গায়।
  • ওপেনিং স্টক — নতুন দোকান বা নতুন পণ্যের শুরুর স্টক এন্ট্রি করে হিসাব শুরু করা যায়।
  • ভ্যারিয়েন্ট (সাইজ/রং) — একই পণ্যের বিভিন্ন সাইজ বা রং আলাদা স্টক হিসেবে রাখা যায়।
  • সিরিয়াল/IMEI ইউনিট ট্র্যাকিং — মোবাইল-ইলেকট্রনিক্সের মতো পণ্যে প্রতিটি ইউনিট আলাদা সিরিয়াল/IMEI দিয়ে ট্র্যাক করা যায় — বিস্তারিত মোবাইল-ইলেকট্রনিক্স পেজে
  • ফার্মেসি ব্যাচ ও মেয়াদ — প্রতিটি লট ব্যাচ নম্বর ও মেয়াদ তারিখসহ ট্র্যাক হয়; বিস্তারিত ফার্মেসি পেজে
  • ইউনিট ও কনভার্সন — কেজি/গ্রাম, লিটার/মিলি বা বক্স/পিসের মতো ইউনিটে কেনা-বেচা আর কনভার্সনের হিসাব রাখা যায়।
  • স্টক রিপোর্ট CSV — পুরো স্টকের হিসাব CSV এ ডাউনলোড করে এক্সেলে খোলা যায়; বিস্তারিত রিপোর্ট পেজে

কেন দরকার

খাতায় বা মুখস্থ স্টক রাখলে কবে কী ফুরিয়ে গেছে বোঝা যায় না, আর বছর শেষে গুনে দেখলে হিসাবে গরমিল থাকে। Zara POS-এ প্রতিটি বিক্রি-কেনায় স্টক নিজে নিজে আপডেট হওয়ায় এই গরমিলের সুযোগ কমে যায়, আর লো-স্টক অ্যালার্ট দেখে সময়মতো নতুন মাল আনা যায়। কোনো কর্মী ভুল করে বা ইচ্ছাকৃত কিছু বদলালেও, লেজারে সেটার প্রমাণ থেকে যায়।

যেভাবে কাজ করে

  1. পণ্য যোগ করার সময় ওপেনিং স্টক দিন, দরকার হলে ভ্যারিয়েন্ট বা সিরিয়াল/IMEI চালু করুন।
  2. সাপ্লায়ারের কাছ থেকে মাল এলে পারচেজ এন্ট্রি করুন — স্টক ও সাপ্লায়ার হিসাব দুটোই আপডেট হয়ে যায়।
  3. বিক্রির সাথে সাথে স্টক কমে, লেজারে এন্ট্রি জমা হয়; লো-স্টক অ্যালার্ট আর CSV রিপোর্ট দেখে পরের কেনাকাটা ঠিক করুন।

কাদের জন্য

যে দোকানেই পণ্য মজুত রেখে বিক্রি হয়, সেখানেই দরকার — মুদি ও জেনারেল স্টোর, ফার্মেসি, মোবাইল-ইলেকট্রনিক্স, ফ্যাশন-কসমেটিকসসহ যেকোনো রিটেইল ব্যবসা।

সাধারণ প্রশ্ন

বিক্রি বা পারচেজ এন্ট্রি করলে স্টক নিজে থেকেই কমে বা বাড়ে — আলাদা করে স্টক গুনে আপডেট করার দরকার হয় না। শুরুতে শুধু ওপেনিং স্টক এন্ট্রি করে নিলেই হয়।

হ্যাঁ। প্রতিটি স্টক পরিবর্তন — বিক্রি, পারচেজ, রিটার্ন বা ম্যানুয়াল সমন্বয় — মুভমেন্ট লেজারে ব্যালেন্স-আফটারসহ লগ হয়ে যায়, তাই কে-কখন-কী করল খুঁজে বের করা যায়।

না, ওগুলো ঐচ্ছিক। সাধারণ পণ্য শুধু নাম আর পরিমাণ দিয়েই স্টকে রাখা যায়; সাইজ/রংয়ের ভ্যারিয়েন্ট বা প্রতি ইউনিটের সিরিয়াল/IMEI দরকার হলে সেটা আলাদাভাবে চালু করা যায়।

ব্যাচ/মেয়াদ (এক্সপায়ারি) ট্র্যাকিং মূলত ফার্মেসির জন্য — মেয়াদ ফুরোনো ওষুধ বিক্রি বন্ধ রাখতে। অন্য ব্যবসায় এটা লাগে না, তবে ফার্মেসি মোডে অটো চালু থাকে।

স্টক লেজার আর লো-স্টক অ্যালার্ট নিজেই দেখুন — রিটেইল ডেমোতে

সাইন-আপ বা কার্ড ছাড়াই ডেমো দোকান ঘুরে দেখুন। পছন্দ হলে ফোন বা WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন — সেটআপ থেকে শেখানো, সবই আমরা করে দিই।

আরও দেখুন: বারকোড তৈরি ও লেবেল প্রিন্ট · কাউন্টার POS ও বিলিং · রিপোর্ট ও ভ্যাট · মূল্য তালিকা