কাউন্টার POS ও বারকোড বিলিং

Zara POS-এর কাউন্টার বিলিং হলো দোকানের ক্যাশ কাউন্টারে সবচেয়ে দ্রুত বিল করার ব্যবস্থা — বারকোড স্ক্যান বা নাম সার্চ করে পণ্য তুলে কয়েক সেকেন্ডেই বিক্রি শেষ। রসিদ প্রিন্ট, স্টক থেকে মাল কাটা আর ক্যাশের হিসাব — সব একসাথে, একই স্ক্রিনে হয়ে যায়।

সর্বশেষ আপডেট:

যা যা করা যায়

  • বারকোড স্ক্যান-টু-সেল — স্ক্যান করলেই পণ্য বিলে উঠে যায়; যেকোনো সাধারণ USB স্ক্যানার চলে। স্ক্যানার না থাকলে নাম/জেনেরিক লিখে সার্চ।
  • কীবোর্ড-ফার্স্ট এন্ট্রি — মাউস ছাড়াই শর্টকাটে পুরো বিল শেষ করা যায়; ভিড়ের সময় লাইন দ্রুত এগোয়।
  • স্প্লিট পেমেন্ট — এক বিলে ক্যাশ + বিকাশ/নগদ + কার্ড; বাকি অংশ চাইলে কাস্টমারের বাকির খাতায়
  • ডিসকাউন্ট ও দরদাম — লাইন ধরে বা পুরো বিলে ছাড়; কেনা দামের নিচে বিক্রিতে অ্যাডমিন PIN লাগে, তাই লস-সেল নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • ভ্যাট হিসাব — ভ্যাটসহ দাম আর মুশক রিপোর্টের সাথে মিলে যাওয়া হিসাব।
  • থার্মাল রসিদ প্রিন্ট — ৫৮/৮০ মিমি রসিদ, চাইলে বিক্রির পর অটো-প্রিন্ট; রিটার্ন/রিফান্ডে সুপারভাইজার PIN।
  • শিফট ম্যানেজমেন্ট — ক্যাশিয়ারের শিফট খোলা-বন্ধ আর ক্যাশ মিলানোর হিসাব; কার শিফটে কত বিক্রি, রিপোর্টে স্পষ্ট।
  • ফার্মেসি মোডে বাড়তি সুবিধা — পাতা/পিস হিসেবে বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাচ অটো-ব্লক, বিকল্প ব্র্যান্ড সাজেশন — বিস্তারিত ফার্মেসি পেজে

কেন দরকার

হাতের লেখা ক্যাশমেমোতে বিল করতে সময় লাগে, ভুল হয়, আর দিন শেষে বিক্রির সাথে স্টক মেলে না। POS-এ বিল করলে প্রতিটি বিক্রিতে স্টক নিজে নিজে কমে, ক্যাশের হিসাব জমা হয়, আর দিনের শেষে «আজ কত বিক্রি, কত লাভ» এক ক্লিকে দেখা যায়। ক্যাশিয়ার রেখে ব্যবসা করলে সবচেয়ে বড় লাভ — কে কখন কী বিক্রি করল, কত ছাড় দিল, সব রেকর্ডে থাকে।

যেভাবে কাজ করে

  1. পণ্য স্ক্যান করুন বা নাম লিখে সার্চ করুন — বিলে উঠে যাবে, পরিমাণ বদলান দরকারমতো।
  2. কাস্টমার বেছে নিন (বাকিতে বিক্রি হলে), ছাড় বা দরদাম থাকলে দাম ঠিক করুন।
  3. পেমেন্ট নিন — ক্যাশ, বিকাশ/নগদ, কার্ড বা ভাগাভাগি করে — রসিদ প্রিন্ট হয়ে বিক্রি শেষ; স্টক আর হিসাব নিজে নিজেই আপডেট।

কাদের জন্য

কাউন্টারে দাঁড়িয়ে বিক্রি হয় এমন সব দোকানের জন্য — মুদি ও জেনারেল স্টোর, ফার্মেসি, মোবাইল-ইলেকট্রনিক্স, ফ্যাশন-কসমেটিকসসহ যেকোনো রিটেইল। রেস্টুরেন্টের টেবিল-অর্ডারের জন্য আছে আলাদা ডাইন-ইন মোড

সাধারণ প্রশ্ন

হ্যাঁ। পণ্যের নাম লিখে সার্চ করে বা ক্যাটালগ থেকে বেছেও বিক্রি করা যায় — স্ক্যানার থাকলে শুধু কাজটা আরও দ্রুত হয়। যেকোনো সাধারণ USB স্ক্যানার সেটআপ ছাড়াই কাজ করে।

স্প্লিট পেমেন্টে এক বিলেই একাধিক মাধ্যম নেওয়া যায় — যেমন কিছু টাকা ক্যাশ, বাকিটা বিকাশ বা কার্ডে; দরকার হলে বাকি অংশ কাস্টমারের বাকির খাতায়ও তোলা যায়।

হ্যাঁ — বিক্রির সময় দাম বদলে দেওয়া যায়। কেনা দামের নিচে বিক্রি করতে গেলে অ্যাডমিনের PIN লাগে, তাই ভুলে বা ইচ্ছাকৃত লসে বিক্রি হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।

যেকোনো থার্মাল রিসিট প্রিন্টার (৫৮/৮০ মিমি) ব্রাউজারের প্রিন্ট দিয়েই চলে। চাইলে বিক্রি শেষ হতেই রসিদ অটো-প্রিন্ট হওয়ার সেটিংও আছে।

বিলিং কত দ্রুত — রিটেইল ডেমোতে নিজেই দেখুন

সাইন-আপ বা কার্ড ছাড়াই ডেমো দোকান ঘুরে দেখুন। পছন্দ হলে ফোন বা WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন — সেটআপ থেকে শেখানো, সবই আমরা করে দিই।

আরও দেখুন: বারকোড তৈরি ও লেবেল প্রিন্ট · স্টক ও ইনভেন্টরি · মূল্য তালিকা