বারকোড তৈরি ও লেবেল প্রিন্ট

Zara POS-এর বারকোড ফিচার দোকানের সেই পণ্যগুলোর জন্য কাজে লাগে যেগুলোর গায়ে কারখানার বারকোড নেই — সিস্টেম নিজে থেকে একটা বারকোড বানিয়ে দেয়, সেটা লেবেলে প্রিন্ট করে পণ্যে লাগানো যায়। এরপর কাউন্টারে স্ক্যান করলেই পণ্য সরাসরি বিলে উঠে যায়, নাম খুঁজে বের করতে হয় না।

সর্বশেষ আপডেট:

যা যা করা যায়

  • অটো বারকোড তৈরি — যে পণ্যের বারকোড নেই তার জন্য নিজে থেকে একটা ইউনিক বারকোড জেনারেট হয়ে যায়।
  • লেবেল প্রিন্ট — জেনারেট করা বারকোড লেবেলে প্রিন্ট করে পণ্যের গায়ে লাগানো যায়।
  • POS-এ স্ক্যান-টু-সেলকাউন্টার বিলিংয়ে স্ক্যান করলেই পণ্য বিলে উঠে যায়, খোঁজাখুঁজি লাগে না।
  • ভ্যারিয়েন্ট বারকোড — একই পণ্যের সাইজ বা রং ভেদে আলাদা বারকোড থাকে; বিস্তারিত ইনভেন্টরি পেজে
  • সিরিয়াল/IMEI স্ক্যান — প্রতিটি ইউনিট আলাদাভাবে স্ক্যান করে ট্র্যাক করা যায় — মোবাইল-ইলেকট্রনিক্সের দোকানের জন্য বিশেষ কাজের।
  • যেকোনো USB স্ক্যানার — বাজারের সাধারণ যেকোনো স্ক্যানারে জিরো কনফিগারেশনে কাজ করে।
  • স্ক্যানার ছাড়াও চলে — স্ক্যানার না থাকলে নাম বা জেনেরিক লিখে সার্চ করেও বিক্রি করা যায়, বারকোড বাধ্যতামূলক নয়।

কেন দরকার

বাংলাদেশের ছোট দোকানে অনেক পণ্যই খোলা বা লোকাল প্যাকেটে আসে, যাতে কোনো বারকোড ছাপা থাকে না। হাতে হাতে খুঁজে বিল করলে সময় লাগে আর ভুল দামে বিক্রি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বারকোড না থাকা পণ্যের জন্য নিজে থেকে একটা বারকোড বানিয়ে লেবেল লাগিয়ে দিলে কাউন্টারে বাকি সব পণ্যের মতোই স্ক্যান করে দ্রুত বিল করা যায়।

যেভাবে কাজ করে

  1. যে পণ্যের বারকোড নেই তার জন্য একটা বারকোড জেনারেট করুন।
  2. লেবেল প্রিন্ট করে পণ্যের গায়ে লাগিয়ে দিন — একবারের কাজ।
  3. কাউন্টারে স্ক্যানার দিয়ে স্ক্যান করলেই পণ্য বিলে উঠে যাবে, স্টকও নিজে নিজে কমবে।

কাদের জন্য

যেসব পণ্যের নিজস্ব বারকোড নেই বা কাউন্টারে দ্রুত স্ক্যান করে বিক্রি করতে চান, সেই সব দোকানের জন্য — মুদি ও জেনারেল স্টোর, ফার্মেসি, মোবাইল-ইলেকট্রনিক্স, ফ্যাশন-কসমেটিকসসহ যেকোনো রিটেইল ব্যবসা।

সাধারণ প্রশ্ন

যে পণ্যের বারকোড নেই তার জন্য Zara POS নিজে থেকে একটা বারকোড বানিয়ে দেয় — সেটা লেবেলে প্রিন্ট করে পণ্যের গায়ে লাগিয়ে দিলেই স্ক্যান করে বিক্রি শুরু করা যায়।

না, বাজারের যেকোনো সাধারণ USB বারকোড স্ক্যানার আলাদা কনফিগারেশন ছাড়াই কাজ করে। স্ক্যানার না থাকলেও সমস্যা নেই — নাম লিখে সার্চ করেও বিক্রি করা যায়।

হ্যাঁ — প্রতিটি ভ্যারিয়েন্টের (সাইজ/রং) নিজস্ব আলাদা বারকোড থাকে, তাই স্ক্যান করলেই ঠিক কোন ভ্যারিয়েন্ট বিক্রি হচ্ছে তা সিস্টেম বুঝে যায়।

যায় — প্রতিটি ইউনিটের সিরিয়াল/IMEI স্ক্যান করে বিক্রির সাথে যুক্ত করা যায়, ফলে কোন ইউনিটটা কার কাছে বিক্রি হলো তা পরে সহজে খুঁজে বের করা যায়।

স্ক্যান করে বিক্রি কেমন লাগে — রিটেইল ডেমোতে নিজেই দেখুন

সাইন-আপ বা কার্ড ছাড়াই ডেমো দোকান ঘুরে দেখুন। পছন্দ হলে ফোন বা WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন — সেটআপ থেকে শেখানো, সবই আমরা করে দিই।

আরও দেখুন: কাউন্টার POS ও বিলিং · স্টক ও ইনভেন্টরি · মূল্য তালিকা